আজ বৃহস্পতিবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বটিয়াঘাটায় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের ডাঃ মিজানুর রহমান করোনায় মাঠকর্মীদের ৮ লাখ টাকার দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় কর্মকর্তাকে পেটানোর অভিযোগ

ফকির শহিদুল ইসলাম,খুলনা
খুলনার বটিয়াঘাটায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনায় মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকের দ্বায়িতে থাকা লোকদের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ওই টাকা ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে তুলে নেন বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান। সাইদুজ্জামান বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই চিকিৎসক তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে সাইদুজ্জামান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। ভুক্তভোগী হিসাবরক্ষক সাইদুজ্জামান বলেন, মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা আমার কাছে তাদের পাওনা চায়। আবার অডিটের সময় আমাকেই জবাব দিতে হয়। টাকা উঠিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাকে মারধর করেন।

উল্লেখ,বটিয়াঘাটা হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়,ডা. মিজানুর রহমান নিজ গ্রামের বাড়ি ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে বটিয়াঘাটার যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম করে যাচ্ছে । তিনি খুলনার স্থানীয় হওয়ায় তার অন্যায় কাজে কেহ বাঁধা দিতে ভয় পেতো । তিনি শুথু করোনায় মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্ধ ৮ লাখ টাকা আত্মসাত করেননি । তিনি সিবিএইচপির (পরিছন্ন)র বরাদ্ধের ২লক্ষ টাকা,হারবালের ১লক্ষ দশ হাজার টাকার নিজের ব্যাংক হিসেবে মাধ্যমে নিয়েছেন,তিনি সরকারী ভাসভবনে থাকা কথা থাকলেও তিনি থাকের গ্রামের বাড়ি ফুলতলায় । সেক্ষেত্রে সরকারে তহবিল থেকে গচ্ছা যাচ্ছে কয়েক লক্ষ টাকা । তার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্ধ গাড়িটি বটিয়াঘাটার বাইরে যেতে হলে প্রয়োজন সিভিল সার্জনের অনুমতি । তিনি অনুমতি ছাড়াই নিজের ব্যাক্তিগত কাজে সরকারী তেল,মবিল ও ড্রাইভারের ওভারটাইম দিয়ে গচ্ছা দিচ্ছেন সরকারী টাকার । উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেের বিভিন্ন পুননির্মান কাজেরও ঠিকাদারদের কাছ থেকে নেন কমিশন । অফিস সময় সকাল ৮টায় হাসপাতালে আসা এবং দুপুর ২-৩০ মিনিটি হাসপাতাল ত্যাগের নিয়ম থাকলেও তিনি আসেন সকাল ১০/১১টায় আবার চলে যান ১থেকে দেড়টার মধ্যে । হাসপাতালে এসেই চলে তার সুন্দনী নার্সদের সাথে একান্তে সময় কাটানো । তিনি স অধ্যক্ষের দুজন এবং ন অধ্যক্ষের একজন নার্সের সাথে অন্তরঙ্গ সময় কাটান । এই তিনজন নার্সের মধ্যে একজন আছেন স্বামী ছাড়া ।

এ বিষয়ে জানতে ডা. মিজানুর রহমানের মোবাইলে কল করলে তিনি রিসিভ করেন সাইদুজ্জামানকে মারপিট ও নারী ঘটিত বিষয়ে জানতে চাওয়া এবং সাংবাদিক পরিচয় পাওয়া মাত্র সঙ্গে সঙ্গে ফোন কেটে দেন। এরপর তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরো সংবাদ

ফেসবুকে খবর২৪ বিডি ডট নেট